নিজস্ব প্রতিবেদক: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজের
অগ্রগতি মনিটরিং ও গুণগতমানের ‘বাংলাদেশ-রাশিয়া দ্বিপাক্ষিক পর্যবেক্ষণ’ আজ
থেকে শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া দুদিন ব্যাপী এ
পর্যবেক্ষণ ও মনিটরিং-এ বাংলাদেশ ও রাশিয়ার উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি ও
নিউক্লিয়ার বিশেষজ্ঞরা অংশগ্রহণ করছেন।
বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব
দিচ্ছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান। আর রাশিয়ার
পক্ষে রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটমের ফার্স্ট ডেপুটি ডাইরেক্টর
জেনারেল ও এটমস্ট্রয় এক্সপোর্টের প্রেসিডেন্ট মি. লকসিন।
বাংলাদেশের
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন, বাংলাদেশ
পারমাণবিক শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ কাজের সার্বিক অগ্রগতি মনিটরিং ও
গুণগতমানের পর্যবেক্ষণ করছে। আর রাশিয়ার পক্ষে এটমস্ট্রয় এক্সপোর্ট, রোজ
এনার্গোএটম, রাশিয়ার নিউক্লিয়ার রেগুলেটরি বডি এবং বিভিন্ন এরিয়ার
নিউক্লিয়ার বিশেষজ্ঞরা রয়েছেন।
এ বিষয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী
স্থপতি ইয়াফেস ওসমান বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পরম মিত্র দেশ রাশিয়ার শীর্ষ
পর্যায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে মনিটরিং ও পর্যবেক্ষণের
পর একাধিক সভা অনুষ্ঠিত হবে। কাজের গুণগতমান বজায় রেখে শিডিউল অনুযায়ী
প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রকল্প
পরিচালক ড. শৌকত আকবর জানান, দুদিনে উভয় দেশের বিশেষজ্ঞ দ্বারা যৌথভাবে
প্রকল্পের কাজের সার্বিক অগ্রগতির সঙ্গে গুণগতমান পর্যবেক্ষণ করা হবে। চলতি
ও আগামী বছরের শিডিউল অনুযায়ী কার্যক্রম নিয়ে একাধিক বৈঠকের আয়োজন করা
হয়েছে। রাশিয়ান কর্তৃপক্ষ তাদের ঠিকাদার এবং সাব-ঠিকাদারদের সঙ্গে বৈঠক করে
নির্দেশনা দেবেন।
এর আগে রাশিয়া থেকে চার্টার্ড বিমানে উচ্চ
পর্যায়ের এ টিম সোমবার ঢাকায় এসে পৌঁছান। মঙ্গলবার ১২টার দিকে দুটি
হেলিকপ্টার নিয়ে রাশিয়ান কর্তৃপক্ষ রূপপুর প্রকল্প এলাকায় পৌঁছান।
রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের অগ্রগতি ও গুণগতমানের পর্যবেক্ষণ শুরু
এই সময়ে
বুধবার, ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২১

