ঈশ্বরদীতে শেষ হলো দুইদিনব্যাপী বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিকী

সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন জাতিসত্তার কবি খ্যাত মুহম্মদ নূরুল হুদা।

সংবাদ ডেস্ক: স্বরচিত কবিতা পাঠ, আবৃত্তি, ছবি আঁকা, জাতির পিতার জীবনী নিয়ে আলোচনা, স্মারক উপহার প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের মধ্যদিয়ে ঈশ্বরদীর প্রত্যন্ত গ্রাম চরগড়গড়িতে শেষ হলো দুই দিনব্যাপি জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মবার্ষিকী ‘বঙ্গবন্ধু ১০০ জন্মোৎসব’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের।

ওসাকা আয়োজিত শনিবার (২৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সাহাপুর ইউনিয়নের চরগড়গড়ির চর নিকেতন কাব্যমঞ্চে জন্মোৎসবের সমাপ্তি ঘোষণা করেন অনুষ্ঠানের সভাপতি বরেণ্য কবি ড. মজিদ মাহমুদ।

সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত জাতিসত্তার কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা। এসময় তিনি বলেছেন: কবি হচ্ছেন ভবিষ্যত দ্রষ্টা, তারা ভবিষ্যত দেখতে পান। আমাদের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন কবি, তার ৭ মার্চের ভাষণ কবিতা।

এছাড়া অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, ঈশ্বরদী প্রেসকাবের সাবেক সভাপতি ও উন্নয়ন উদ্যোক্তা মোস্তাক আহমেদ কিরণ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেক,ঈশ্বরদী সিনিয়র সাংবাদিক খোন্দকার মাহাবুবুল হক দুদু, কবি সালেক শিবলু, শিশুসাহিত্যিক সুজন বড়ুয়া, কবি সেলিনা শেলী, আবৃত্তি শিল্পী রুবিনা আজাদ, সাইদ হাসান দারা, মানিক মজুমদার প্রমুখ। সমাপনী অনুষ্ঠান সমন্বয় করেন বঙ্গবন্ধু জন্মশতবর্ষ আন্তর্জাতিক পর্ষদের প্রধান সমন্বয়ক কবি আসলাম সানী ও স্থানীয় মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি পাঠাগারের পরিচালক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেক বিশ্বাস। অনুষ্ঠানের মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেক বিশ্বাস, কবি আসলাম সানী ও জাতিসত্তার কবিকে সম্মান স্মারক উপহার দেওয়া হয়।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে চরগড়গড়িতে দু’দিনব্যাপী উৎসব শুরু হয় শুক্রবার বিকেলে। ‘বঙ্গবন্ধু ও শিশুসাহিত্য উৎসব’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি।

বঙ্গবন্ধু জন্মশতবর্ষ আন্তর্জাতিক পর্ষদ আয়োজিত এই উৎসবে সহযোগিতায় করে স্থানীয় মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি পাঠাগার ও চরনিকেতন কাব্যমঞ্চ।

স্বত্ব © ২০২৬ সংবাদ সাতদিন