| ইয়াছিন মীর। ছবি: সংগৃহিত |
বুধবার রাত আটটার দিকে উপজেলার লক্ষীকুণ্ডা ইউনিয়নের চরকুড়লিয়া গ্রাম থেকে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তির নাম ইয়াছিন মীর। তিনি লক্ষীকুন্ডা চরকুরুলিয়া গ্রামের মৃত আলিমুদ্দিনে ছেলে। মামলার পর থেকে ইয়াছিন মীর পলাতক ছিলেন। ইয়াছিনের বিরুদ্ধে পূর্বের একটি হত্যা মামলা ছিল।
পুলিশ জানায়, ইউনিয়ন নির্বাচনের দুদিন পর গত ৩০ নভেম্বর রাতে লক্ষীকুন্ডার চরকুরুলিয়া গ্রামে দুই পক্ষের মধ্যে গুলি-ককটেল বিস্ফোরণ, পাল্টাপাল্টি হামলা ও মারামারির ঘটনায় গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ১৫ আহত হন। এতে দুইপক্ষের দায়ের করা তিন মামলায় নামে-বেনামে আসামী করা হয় ৮২ জনকে।
এরমধ্যে চরকুরুলিয়া গ্রামের মৃত বারেক সরদারের ছেলে মামুন সরদারের চাচী নাছিমা বেগমসহ বেশ কয়েকজন প্রতিপক্ষের হামলায় আহত হন। এতে তিনি থানায় মামলা করেন। মামলায় ইয়াছিন মীরকে প্রধান আসামী করা হয়।
গ্রেপ্তার অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া ঈশ্বরদী থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এস আই) সৌরভ কুমার চন্দ জানান, মামলার পর থেকে ইয়াছিন মীর পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাত আটটার দিকে উপজেলা শহর থেকে ২২ কিলোমিটার দূরে চরকুড়লিয়ায় হাট এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে লক্ষীকুন্ডার পূর্বের একটি হত্যা মামলা ছিল।
ঈশ্বরদী থানার পুলিশ ইন্সপেক্টর (তদন্ত) হাদিউল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তার পর পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়।
